বৃহস্পতিবার ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

Advertisement Placeholder

ছাত্রলীগ নেতা থেকে এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

ডেস্ক রিপোর্ট   |   সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৩০২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ছাত্রলীগ নেতা থেকে এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা শাখার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমন্বয় কমিটিতে যুগ্ম সমন্বয়কারী পদ পেয়েছেন আসাদুজ্জামান আলী নামে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। তিনি কুমারখালী পৌর শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এনসিপির কমিটিতে ছাত্রলীগ নেতা পদ পাওয়ার পর থেকে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ২১ জুন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি সমন্বয় কমিটি অনুমোদন করা হয়। কমিটিতে আসাদুজ্জামান যুগ্ম সমন্বয়কারী পদ পেয়েছেন।

আসাদুজ্জামান কুমারখালী পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের এলোঙ্গি গ্রামের আবদুর সামাদ পাখির ছেলে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কুমারখালী শাখার সদস্য সচিব পদও পেয়েছিলেন। পদ পাওয়ার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠেন আসাদুজ্জামান। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য, সেল্টার বাণিজ্য, ঘুস বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি ও অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বাবা পাখির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। বাবা-ছেলের নানা অপকর্ম ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ শুরু করে স্থানীয় ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসাদুজ্জামান। সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ, নীতি বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া এবং জনসাধারণের অনাস্থার কারণে আসাদুজ্জামানের সদস্য পদ বাতিলসহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান ও সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতাকর্মী, সচেতন মহল ও স্থানীয়রা বলেন, আসাদুজ্জামান ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতা ছিলেন। আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে তিনি পাওয়ার প্র্যাকটিস করতেন। প্রভাব খাটিয়ে নিজের আখের গুছিয়েছেন। নিজের স্বার্থের জন্য তিনি বারবার ভোল পাল্টিয়েছেন।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান বলেন, আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কুমারখালী শাখা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসাদুজ্জামান বলেন, আমি আগে ছাত্রলীগ করতাম, এখন এনসিপি করি। আন্দোলন শুরুর আগে আমি ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম। আমি এখন উপজেলা এনসিপি কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী। আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের লোকজন ষড়যন্ত্র করে আসছে। আমি ও আমার বাবা কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত না।

Facebook Comments Box
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
সম্পাদক (ডেমো)
এস এ ফারুক